সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

সদ্য সংবাদ :
কারোনা আতঙ্কঃ এগিয়ে আসেনি কেউ, মরদেহ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে চার মেয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার দায়ের ৭১জনকে ১৬ হাজার ৯’শ টাকা জরিমানা নেত্রকোনার আটপাড়ায় সামাজিক দূরত্ব মানছে না সাধারণ মানুষ করোনা পরিস্থিতিতে বেতনের টাকায় অসহায়দের পাশে এএসআই মাসুদুর নেত্রকোনায় করোনা ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু অসহায় শ্রমজীবী মানুষের ত্রাণ বিতরণ করলেন এমপি মোতাহার সাংসদদের পক্ষ থেকে ১৫ হাজার পরিবারে মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরন করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তি আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আলোচিত হত্যা মামলার আসামী বুলবুল মীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর চা খেলেই করোনার সারে ! অতপর হারবাল চিকিৎসক আটক
শিক্ষক পেটানো সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িকভাবে বরখাস্ত

শিক্ষক পেটানো সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িকভাবে বরখাস্ত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

শিক্ষক পেটানো মামলায় অভিযুক্ত গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহম্মেদ চৌধুরীর সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপণে এ তথ্য জানাগেছে।

প্রজ্ঞাপনে তিনি উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈর বিরুদ্ধে কোটালীপাড়া থানায় দায়েরকৃত জিআর মামলা নং- ১৫১/১৯ এর অভিযোগপত্র বিজ্ঞ আদালতকর্তৃক গৃহীত হওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯এর ৩৪ (১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হলো।

জানাগেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অমূল্য রতন হালদারকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠান। শিক্ষক পিটানোর ঘটনায় গোটা উপজেলায় নিন্দার ঝড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার একদিন পর শিক্ষক অমূল্য রতন হালদারের স্ত্রী মনি হালদার বাদী হয়ে চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈসহ ৫জনকে আসামী করে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কোটালীপাড়া থানা উত্তম কুমার বাড়ৈকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় তাকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমানর বলেন, আমি এখনো মন্ত্রনালয়ের কোন চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে আইন আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ বলেন, আমাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার বিষয়টি আমি এখন পর্যন্ত জানি না। আমি সাময়িকভাবে বরখাস্তের চিঠি পাওয়ার পরে পরবর্তী করণীয় নিধারণ করবো।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাফায়েত হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করায় আমরা কোটালীপাড়া সকল শিক্ষক সমাজ খুশি হয়েছি। আমরা মনে করি আইনের সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।

শিক্ষক অমূল্য হালদারের স্ত্রী ও মামলার বাদী মনি হালদার বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ যে কাজটি করেছে তা অন্যন্ত ঘৃণিত। আমি তার স্থায়ী বরখাস্ত চাই।

ভাল লাগলে শেয়ার করবেন




© All rights reserved © 2017 jonopriya.com
Design & Developed BY jonopriya.com
error: Content is protected !!