সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

সদ্য সংবাদ :
সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার দায়ের ৭১জনকে ১৬ হাজার ৯’শ টাকা জরিমানা নেত্রকোনার আটপাড়ায় সামাজিক দূরত্ব মানছে না সাধারণ মানুষ করোনা পরিস্থিতিতে বেতনের টাকায় অসহায়দের পাশে এএসআই মাসুদুর নেত্রকোনায় করোনা ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু অসহায় শ্রমজীবী মানুষের ত্রাণ বিতরণ করলেন এমপি মোতাহার সাংসদদের পক্ষ থেকে ১৫ হাজার পরিবারে মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরন করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তি আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আলোচিত হত্যা মামলার আসামী বুলবুল মীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর চা খেলেই করোনার সারে ! অতপর হারবাল চিকিৎসক আটক মাস্ক, গ্লাভস ও পিপিই তুলে দিলেন অসীম কুমার উকিল
মদনে ভাঙ্গা হাতে প্লাস্টার না করে ভাল হাতে প্লাস্টার

মদনে ভাঙ্গা হাতে প্লাস্টার না করে ভাল হাতে প্লাস্টার

জনপ্রিয় ডেস্কঃ

নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি শিশুর ভাঙ্গা হাতে প্লাস্টার না করে ভাল হাতে প্লাস্টার করে দিয়েছে চিকিৎসক। এতে এলাকায় জনগনের মাঝে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকালে নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৫০ শয্যা হাসপাতালে। অবশ্য শিশুটিকে সন্ধ্যার দিকে পুনরায় ওই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার ভাঙা হাতে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়।

শিশু ইমা আক্তার মদন দক্ষিণপাড়া গ্রামের ইদুচানের মেয়ে। মঙ্গলবার বিকালে ইমা আক্তার (২) নামের এক শিশুর ভাঙা বাম হাত রেখে ডান হাতে প্লাস্টার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় ওই হাসপাতালের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট মেডিকেল অফিসার মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ।

শিশুর পিতা ইদু চান জানান, ‘তার দুই বছরের শিশু কন্যা ইমা আক্তার মঙ্গলবার দুপুরে ঘরের চৌকি থেকে পড়ে গিয়ে তার বাম হাতে ব্যথা পায়। এ অবস্থায় তাকে মদন উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাতের এক্স-রে করতে বলেন। এক্স-রে করার পর তার বাম হাত ভাঙ্গা দেখতে পায় চিকিৎসক। পরে হাসপাতালের সাব এসিস্ট্যান্ট মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মিরাজুল ইসলাম ভাঙা বাম হাতে প্লাস্টার না করে ডান হাতে প্লাস্টার করে দেন। পরে বাম হাতের অবস্থার অবনতি দেখে পুনরায় সন্ধ্যায় মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডান হাতের প্লাস্টার খুলে বাম হাতে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়।

এ নিয়ে সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট মেডিকেল অফিসার মিরাজুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে এ বিষয়ে তিনি টিএইচসির সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফখরুল হাসান চৌধুরী টিপুর সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা হলে তিনি জানান, ইমা আক্তার নামের এক শিশুর ভাঙা হাত রেখে ভালো হাতে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করবেন




© All rights reserved © 2017 jonopriya.com
Design & Developed BY jonopriya.com
error: Content is protected !!